বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিকদের লেখনীর আঙিনায় অনেক সময় এমন সব বিষয় উঠে এসেছে যা আমাদের বর্তমান সময়ের সামাজিক বাস্তবতার সাথে অদ্ভুতভাবে মিলে যায়। বিশেষ করে চাঁদা নেওয়া বা দেওয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে তাঁদের লেখায় যে ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে, তা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। তাঁদের রচনায় অনেক সময় দেখা যায় হাস্যরসের মিশেলে সামাজিক অসঙ্গতিগুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
এই ধরণের রচনার পাশাপাশি বিভিন্ন সংকলনে আরও কিছু চমকপ্রদ বিষয় স্থান পেয়েছে। যেমন, কোনো লেখায় উঠে এসেছে “আপত্তিকারী.চাঁদাবাজের বর্ণ পরিচয়.ইলিশ আছে, ইলিশ হ্যাজ!.ভদ্র ছেলেরা কখনো হাফপ্যান্ট পরে বাইরে যায়?.গ্যাঞ্জাম of সায়েন্সল্যাব.ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে ফুলহাতা শার্ট পরা ছাড়া আর কী কী করা যেতে পারে?.আহসান হাবীবের প্রিয় ৪ কৌতুক.সেকালের বিজ্ঞাপন একালে” এই ধরণের নানা বৈচিত্র্যময় বিষয়বস্তু।
সাহিত্যিকদের এই ধরণের ছোট ছোট পর্যবেক্ষণ বা কৌতুকগুলো কেবল বিনোদন দেয় না, বরং তৎকালীন সমাজের একটি প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে আহসান হাবীবের প্রিয় কৌতুকগুলো বা সেকালের বিজ্ঞাপনের সাথে বর্তমান সময়ের তুলনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সময়ের সাথে সাথে মানুষের জীবনযাত্রা পরিবর্তিত হলেও কিছু মৌলিক স্বভাব বা সামাজিক পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থেকে যায়। সায়েন্সল্যাবের গ্যাঞ্জাম কিংবা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার মতো বিষয়গুলোও তাঁদের রচনার মাধ্যমে এক ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।