নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার উদ্দেশ্যে থানায় এসে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে উভয় পক্ষের পাঁচজনকে আটক করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যবর্তী সময়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা গেট সংলগ্ন প্রাঙ্গণে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে। পুলিশি হেফাজতে নেওয়া আটক পাঁচজনের নাম হলো— মো. আলাউদ্দিন ওরফে সোহেল, ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো. আজগর আলী, জাহিদুল ইসলাম সাব্বির এবং মাইন উদ্দিন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং দুবাই প্রবাসী মো. আলাউদ্দিন ওরফে সোহেল প্রায় এক বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কবিরহাটের ধানশালিক ইউনিয়নের ১৯ বছর বয়সী মাশরুপা আক্তারকে বিয়ে করেন। তবে তিন মাস আগে সোহেল দেশে ফেরার পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এই বিরোধের সমাধান খুঁজতে সোমবার রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা থানায় উপস্থিত হন। সেখানে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জয়দাস গুপ্ত তাদের স্থানীয়ভাবে বিরোধ মীমাংসা করার পরামর্শ দেন।
তদন্ত কর্মকর্তার পরামর্শের পর রাত পৌনে ৯টার দিকে তারা থানা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে গেটের কাছেই প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং তা দ্রুতই সংঘর্ষে রূপ নেয়। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সংঘর্ষে জড়িত উভয় পক্ষের পাঁচজনকে আটক করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান জানান, “এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আটক ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।”