আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় নতুন কুঁড়ির দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এই আসরে অংশগ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে ১৬ লাখ ২৩ হাজার জন অনলাইনে নিজেদের নাম নিবন্ধন করেছেন, যেখানে প্রথম আসরে নিবন্ধনের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ লাখ ৬৮ হাজার। দ্বিতীয় আসরে নিবন্ধিত খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হবে এবং এর মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।

রোববার বিকেলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ (সিজন-২) আয়োজনের প্রস্তুতি পর্যালোচনে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য প্রদান করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের মে অথবা জুন মাসে এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে।

তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাদের সামনে নিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, ‘দেশের তৃণমূলে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার জন্যই নতুন কুঁড়ির এ আয়োজন। নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বিজয়ী অনেক ক্রীড়াবিদ এখন বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। আমরা তাদের হারিয়ে যেতে দিতে চাই না; বরং তাদের প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা ও পড়াশোনার দায়িত্ব সরকার বহন করবে। নতুন কুঁড়ির আয়োজনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে দেশের সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব হবে।’

খুলনা জেলা স্টেডিয়ামকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ স্টেডিয়ামে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে প্রণীত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জানুয়ারি মাস থেকে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সারা বছর ধরে খেলাধুলার কার্যক্রম চলবে।

প্রতিমন্ত্রীর এই পরিদর্শনকালে জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন।