কয়েকজন দুশ্চরিত্রবান ব্যক্তির কারণে সামগ্রিকভাবে মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। সত্যনিষ্ঠা, নৈতিকতা, জবাবদিহিতা এবং দায়িত্বশীলতার চর্চার মাধ্যমেই এই শিক্ষা ব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের সভাপতি অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজি সম্প্রতি এই মত ব্যক্ত করেছেন।
গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এসব কথা জানান।
তার ওই পোস্টে অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজি লিখেছেন, “মাদ্রাসা শিক্ষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, এমন আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। জেনারেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও বিচ্ছিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে; কিন্তু মাদ্রাসার ঘটনাগুলো ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ায় পুরো মাদ্রাসা শিক্ষা প্রশ্নের মুখে পড়ে।”
মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ বার্তা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “মাদ্রাসাপড়ুয়া হিসেবে মনে রাখতে হবে, আপনার একটি অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড সমগ্র মাদ্রাসা শিক্ষার সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। তাই শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক,মাদ্রাসা দরদি জনগণ ও ওলামায়ে কেরাম সবারই সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা জরুরি।”
শিক্ষক হিসেবে দেলোয়ার হোসেনের মতে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সামনে এলে তা গোপন করার চেষ্টা না করে দ্রুত এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি লেখেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তা ধামাচাপা না দিয়ে দ্রুত, কঠোর ও ন্যায়সংগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি মানুষের অনীহা তৈরি হবে।”
সবশেষে সতর্কবাণী উচ্চারণ করে তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন, “গুটি কয়েট দুশ্চরিত্রবান লোকের কারণে মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। সত্য, নৈতিকতা, জবাবদিহি ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার মর্যাদা রক্ষা করি।”