কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি হৃদয় হাসান ওরফে রাকিবকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল র্যাব ব্রিগেড (এসআরবি)। রাজধানীর দারুস সালাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এসআরবির সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) (ভারপ্রাপ্ত) মুহম্মদ মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

পুলিশ ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ডেলটা হাসপাতালের সামনে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রাকিব কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার নন্দুনেফড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং রানু মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওই কিশোরীর সঙ্গে রাকিবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৩০ জুন দেখা করার কথা বলে রাকিব তাকে কাজির মসজিদ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় যাওয়ার অনুরোধ জানান। অভিযোগ করা হয়েছে যে, সেখানে রাত ২টার দিকে মাদ্রাসার শিক্ষক এবং এই মামলার অপর আসামি শহিদুল ইসলাম ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময় কিশোরীর চিৎকার শুনে রাকিব সেখানে উপস্থিত হন। এরপর তিনি ওই কিশোরীকে মাদ্রাসারই অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যান এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এই ঘটনার পর কিশোরীর দাদা বাদী হয়ে উলিপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয় যে, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩, রংপুরের সদর কোম্পানি এবং এসআরবি-৪, সিপিসি-২, মিরপুর ক্যাম্পের একটি যৌথ দল ঢাকার দারুস সালাম থানাধীন ডেলটা হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে রাকিবকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।