দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ক্রমাগত নিম্নমুখী। টানা তিন দফায় স্বর্ণের দাম মোট ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমেছে। সর্বশেষ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নতুন করে মূল্য তালিকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক বিশেষ বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্যের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম হ্রাস পাওয়ার কারণে দেশের বাজারে স্বর্ণের বিক্রয় মূল্য কমানো হচ্ছে। নতুন এই মূল্য তালিকা শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) একবার স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এরও আগে গত ১৩ অক্টোবর স্বর্ণের দাম কমানোর পদক্ষেপ নেয় বাজুস। ওই দফায় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা করা হয়েছিল।

বাজুস আরও জানিয়েছে যে, অলংকারের নকশার ওপর ভিত্তি করে মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে এবং ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই ঘোষিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।