আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। এর ফলে প্রায় প্রতিদিনই স্বর্ণের মূল্যের পরিবর্তন ঘটছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) দেশের বাজারে নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে এই মূল্যবান ধাতু।

গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। এই নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে উন্নত মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বাজুসের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে “২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা”। এর আগে এই দাম ছিল “২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা”। পাশাপাশি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে “২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা”।

অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম “১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা” করা হয়েছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে “১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা”।

স্বর্ণের দাম বাড়লেও রূপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। রূপার দাম আগের মতোই বহাল রাখা হয়েছে। সেই হিসেবে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দাম “৪ হাজার ৩১৬ টাকা” এবং প্রতি গ্রামের দাম “৩৭০ টাকা”। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম “৪ হাজার ১৪১ টাকা” এবং প্রতি গ্রামের দাম “৩৫৫ টাকা”।

এছাড়া ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম “৩ হাজার ৫৫৮ টাকা” এবং প্রতি গ্রামের দাম “৩০৫ টাকা” নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম “২ হাজার ৬৮৩ টাকা” এবং প্রতি গ্রামের দাম “২৩০ টাকা”।

বাজুস আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, অলংকারের নকশার ভিন্নতা অনুযায়ী আলাদা মজুরি প্রযোজ্য হবে। যেহেতু স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত করা হয়েছে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট নেওয়া যাবে না।

এছাড়া মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে “১২ শতাংশ” এবং পারচেজের ক্ষেত্রে “১৮ শতাংশ” বাদ দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।