সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১০ অক্টোবর সংঘটিত হামলায় সৌদি এয়ারলাইনসের যেসব যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং যাদের লাগেজ এখনো উদ্ধার হয়নি, তাদের অনলাইনে অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করেছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেসব যাত্রী তাদের লাগেজ হারিয়েছেন, তারা সৌদি এয়ারলাইনসের নির্দিষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গিয়ে অভিযোগ দাখিল করতে পারবেন। এর জন্য যাত্রীদের নির্দিষ্ট লিংকে (https://mybag.aero/baggage/#/pax/saudia/en-gb/main-menu) প্রবেশ করে ‘লস্ট ব্যাগেজ ক্লেম’ বা হারানো লাগেজের অভিযোগ জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

বাংলাদেশ দূতাবাস আরও জানিয়েছে, ওই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের লাগেজ সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাসময়ে অবহিত করা হবে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে আগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর ঢাকা–দাম্মাম রুটের ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ঢাকা–রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এই তথ্যের কথা জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, “গত ২১ অক্টোবর রাতে সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দাম্মামগামী ফ্লাইটগুলো স্থগিত করা হয়েছে। একই কারণে রিয়াদগামী ফ্লাইটও ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, স্থগিত করা ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং সংশোধিত সময়সূচি যথাসময়ে জানানো হবে। তবে ঢাকা থেকে সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটগুলো পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ীই চলবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরও জানিয়েছে, যাদের জরুরি প্রয়োজন, তারা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যেতে পারবেন। একইভাবে ওই বিমানবন্দরগুলো ব্যবহার করে তারা দেশে ফিরতেও পারবেন।