বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখেন অসংখ্য শিক্ষার্থী। তবে এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন সুপরিকল্পিত ও সঠিক প্রস্তুতি। সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, ভর্তি প্রক্রিয়া এবং ভিসার আবেদন থেকে শুরু করে পড়াশোনার যাবতীয় খরচ—সবকিছুই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গুছিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য চারটি বিশেষ বিষয় চেকলিস্টে রাখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।

শিক্ষাজীবন থেকেই নিজের অর্থ ব্যবস্থাপনার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত ব্যয় পরিচালনা, সঞ্চয় এবং দৈনন্দিন লেনদেনের ক্ষেত্রে ইবিএলের ‘ক্যাম্পাস অ্যাকাউন্ট’ হতে পারে একটি কার্যকর সূচনা। মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে এই অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব। এর পাশাপাশি প্রথম বছর বিনা মূল্যে ডুয়াল কারেন্সি ডেবিট কার্ড, চেকবই এবং ইবিএল স্কাইব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারের বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়।

বিদেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে টিউশন ফি-র পাশাপাশি থাকা, খাওয়া এবং যাতায়াতসহ নানা আনুষঙ্গিক খরচ থাকে। এই বিপুল ব্যয়ের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই সঞ্চয়ের পরিকল্পনা করা শ্রেয়। প্রতি মাসে অল্প অল্প করে টাকা জমিয়েও ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় তহবিল গঠন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ইবিএলের ‘মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প’ শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারকে নিয়মিত সঞ্চয়ে উৎসাহিত ও সহায়তা করতে পারে।

অনেক সময় বিদেশে উচ্চশিক্ষার ব্যয়ভার শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সঞ্চয়ের পাশাপাশি যদি বাড়তি অর্থের প্রয়োজন হয়, তবে শিক্ষাঋণ হতে পারে একটি কার্যকর সমাধান। ইবিএলের ‘এডুকেশন লোন (এডু লোন)’–এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার খরচ মেটাতে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পেতে পারেন, যা পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ আট বছর পর্যন্ত সময় পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি হলো বিদেশে টিউশন ফি এবং অন্যান্য শিক্ষাসংক্রান্ত খরচের টাকা পাঠানো। এই প্রক্রিয়াটি সহজ করতে রয়েছে ‘ইবিএল স্টুডেন্ট ফাইল’ সেবা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মেনে বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি ও অন্যান্য অনুমোদিত খরচের টাকা পাঠাতে পারেন। এই বিশেষ সেবাটি শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের আর্থিক লেনদেনের জটিলতা কমিয়ে প্রক্রিয়াটিকে সহজতর করে তোলে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের প্রতিটি ধাপই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। শুরু থেকেই আর্থিক বিষয়গুলো সুসংগঠিত রাখলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ গড়ার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে সক্ষম হবেন। আর এই দীর্ঘ পথচলায় প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছে ইবিএল।