শেরপুরের নকলা উপজেলায় জমিজমা ও পারিবারিক বিরোধের জেরে একটি মাজার ভাঙচুর করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের শনাক্ত করার জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনাটি ঘটেছিল গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে নকলা উপজেলার বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের বানেশ্বর্দী কান্দাপাড়া এলাকায়। গ্রেপ্তার করা ব্যক্তির নাম আসাদুজ্জামান কেনু (৫৫), তিনি ওই এলাকার ইলাহী বক্সের ছেলে।

মামলার বাদী আবু হানিফার দেওয়া লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, আবু হানিফার সাথে একই এলাকার আসাদুজ্জামান কেনুসহ আরও কয়েকজনের দীর্ঘদিনের পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ বিদ্যমান ছিল। জমির ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে এই দ্বন্দ্বের জেরে শুক্রবার বিকেলে আবু হানিফার বসতবাড়ির পশ্চিম পাশে অবস্থিত তার দাদা আরফুজ লেংটার মাজারে হামলা চালানো হয় এবং ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসাদুজ্জামান কেনুসহ ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাজারে প্রবেশ করেন। তারা মাজারের ইটের দেয়াল, টিনের চাল এবং পাকা মেঝেতে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। বাদীর দাবি, এই ঘটনায় আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া মাজারে রাখা স্টিল ও বাঁশের তৈরি দানবাক্স ভেঙে সেখান থেকে টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আবু হানিফা বাদী হয়ে আসাদুজ্জামান কেনুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনের বিরুদ্ধে নকলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ এই বিষয়ে জানান, “মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে।”