নির্বাচনের দিন থেকে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা এবং দোকানপাট লুটের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের একটি তালিকা দলের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
জামায়াতের আমিরের অভিযোগ, নির্বাচনের দিন থেকেই বিএনপি এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জামায়াতের কর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নাজেহাল করছেন। তিনি জানান, এই সময়ে অনেকের পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়েছে এবং দোকানপাট লুট করা হয়েছে। এছাড়া ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনাও ঘটেছে। এই সব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিস্তারিত তালিকা দলের কাছে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর বা পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন জামায়াতের বরগুনা জেলার সাবেক সহকারী সেক্রেটারি শামীম আহসানকে দেখতে যান শফিকুর রহমান। সেখানে পরিদর্শনের পর তিনি এসব কথা বলেন।
হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জামায়াতের আমির বলেন, “দল করা যে কারও অধিকার, এটা কোনো অপরাধ নয়। বুদ্ধি ও যুক্তির লড়াইয়ে হাত চলবে কেন? গায়ের জোর কেন? এটা আমরা দেখতে চাই না। এসব ঘটনায় আমি খুবই বিস্মিত ও ব্যথিত।”
তিনি আরও জানান যে, এই পরিস্থিতি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখার জন্য বরগুনার পুলিশ সুপারকে (এসপি) অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই সাথে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “রাজনীতি হবে রাজনীতির ভাষায়, সন্ত্রাসের ভাষায় নয়। সারা দেশে যেন এই চিত্র দেখা যায়।” পরিশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ঘটনার পর আর কেউ যেন ফুলের পাপড়ি দিয়েও কাউকে আঘাত না করে।