দেশের বাজারে সোনার মূল্য কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন মূল্য তালিকা কার্যকর করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষিতে বাজুস এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক বৈঠকে সোনার দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ৯ অক্টোবর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা করা হয়েছিল। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে এবার সেই দাম থেকে ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হলো।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও এসেছে পরিবর্তন। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ২ হাজার ৬২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রুপার গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে। ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে ঘোষিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।