ভারতের কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। রোববার (১০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের মাধ্যমে তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ওসি সাইফুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, নির্ধারিত সময়ে মরদেহটি চেকপোস্ট দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা বেনাপোলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি গ্রহণ করেন। এর আগে শনিবার সকাল ৭টার দিকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিবারের পরিকল্পনা সম্পর্কে আরেফা সুলতানা বলেন, “রোটনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর জানাযা শেষে চট্টগ্রামের রাউজানের বাড়ি নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে দাফন করা হবে।”
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ছয় দিন আগে তাঁকে অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী আরেফা সুলতানা।
রাজনৈতিক জীবন ও ক্যারিয়ারের কথা উল্লেখ করে জানা যায়, রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। ছাত্রলীগের পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হন।