নাটোরের বড়াইগ্রাম এলাকায় নিখোঁজ থাকার পাঁচ দিন পর একটি নির্মাণাধীন ঘর থেকে শফিকুল ইসলাম নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বনপাড়া পৌরসভার কালিকাপুর মহল্লায় অবস্থিত একটি নির্মাণাধীন ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ emanating হতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই তারা মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন এবং দ্রুত পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত শফিকুল ইসলাম বনপাড়া পৌরসভার কালিকাপুর আদর্শ গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলাম শহীদের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান, কিন্তু রাতে আর ফিরে আসেননি। পরদিন সকাল থেকেই পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় তার খোঁজখবর নিলেও কোনো সন্ধান পাননি। তবে নিখোঁজ হওয়ার পর পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি।
মঙ্গলবার সকালে কালিকাপুর মহল্লার ওই নির্মাণাধীন ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল এলাকায় মাদক সেবনের জন্য পরিচিত ছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মাদক সেবনের উদ্দেশ্যে তিনি ওই নির্মাণাধীন ঘরে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানেই মাদক সেবনের সময় তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।