সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে নিয়মবহির্ভূতভাবে ইউরিয়া সার মজুত করার ঘটনায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ মো. মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বা সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। সদস্যপদ বাতিলের এই সিদ্ধান্তের ফলে তিনি সংগঠনটির নায়েবে আমীর-২ পদের দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি পেলেন।

রোববার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী, রুকন বা পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ হলো সংগঠনের সর্বোচ্চ স্তরের সদস্যপদ। একজন কর্মী যখন নির্দিষ্ট সাংগঠনিক ও নৈতিক শর্তাবলি যথাযথভাবে পূরণ করেন, তখনই তিনি এই মর্যাদাপূর্ণ সদস্যপদ লাভ করেন।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম জানান, “মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বাতিল করা হয়েছে। রুকনিয়াত বাতিল হওয়ার ফলে তিনি আর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।”

ঘটনার সূত্রপাত গত ১ অক্টোবর। ওইদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা প্রশাসন কামারখন্দের ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দেখা যায়, সেখানে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করা হয়েছে। এই অপরাধে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি গুদামে মজুত থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।

মনিরুল ইসলাম ছোট ধোপাকান্দি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।