এশিয়ান গেমস ক্রিকেট ফাইনালে ভারতীয় দল নিজেদের ইনিংস শেষ করেছে ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ২১১ রানে। স্বর্ণপদক জয়ের লক্ষ্যে পাকিস্তানের সামনে এখন ২১২ রানের কঠিন চ্যালেঞ্জ। কোরোগি স্পোর্টস পার্কে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।
ম্যাচের শুরুতেই ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ধারায় গতি আনে অভিষেক শর্মা এবং বৈভব সূর্যবংশী। দ্বিতীয় ওভারেই দুটি ছক্কা হাঁকান সূর্যবংশী, তবে তিনি বেশি দিন টিকতে পারেননি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে সাইম আইয়ুবের শিকার হয়ে ৯ বলে ১৫ রান করে ফিরে যান তিনি। অন্যদিকে, অভিষেক শর্মা পাকিস্তানের পেস ও স্পিন দুই আক্রমণকেই সমানভাবে মোকাবিলা করেন। মাত্র ২০ বলে ফিফটি সম্পন্ন করা এই ওপেনার অষ্টম ওভারে আরাফাত মিনহাসের বলে স্টাম্পড হওয়ার আগে ২৮ বলে ৬১ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার এবং ৭টি ছক্কা।
অভিষেকের ফিরে যাওয়ার পরও ভারতের রানের গতি কমেনি। পাওয়ার প্লেতেই ২ উইকেটে ৮১ রান তুলে নেয় তারা। সঞ্জু স্যামসন ৪ বলে ২ রান করে ফিরলেও দল এগিয়ে যায়। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ২৪ বলে ২১ এবং ঈশান কিষান ১৮ বলে ২০ রান করেন। ১৪.১ ওভারে শ্রেয়াস যখন পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে ফেরেন, তখন ভারতের রান দাঁড়ায় ১৩৩।
সেখান থেকেই ম্যাচের গতি বদলে দেন তিলক ভার্মা এবং শিবম দুবে। দুই বাঁহাতি ব্যাটার ষষ্ঠ উইকেটে মাত্র ২৫ বলে ৫০ রান যোগ করেন। দুবে ১৫ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ২৭ রান করেন। আর তিলক ভার্মা শেষদিকে পাকিস্তানের বোলারদের ওপর সবচেয়ে বেশি চড়াও হন। মাত্র ২১ বলে ফিফটি পূর্ণ করা এই ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ২২ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন।
শেষ পাঁচ ওভারে ভারত তোলে ৭৪ রান। ফলে ১৫ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ১৩৭ থেকে তাদের সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ২১১ রানে। পাকিস্তানের হয়ে আরাফাত মিনহাস সবচেয়ে কার্যকর ছিলেন; ৩ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। আহমেদ দানিয়ালও দুটি উইকেট পেলেও ৩ ওভারে খরচ করেন ৪৩ রান। আবরার আহমেদ ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট।
এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক জিততে এখন পাকিস্তানকে ২০ ওভারে তুলতে হবে ২১২ রান।