ঝিনাইদহে নামের আংশিক মিল থাকায় রাকিব হাসান বন্ধন নামে এক কলেজছাত্র ও ব্যবসায়ীকে ছাত্রলীগ সদস্য হিসেবে দেখিয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল খালেক।
আব্দুল খালেক বলেন, তার ভাতিজা রাকিব হাসান বন্ধন বর্তমানে একজন কলেজছাত্র এবং ব্যবসায়ী। সাম্প্রতিক ইউনিয়ন ভিত্তিক সারের ডিলার নিয়োগের জন্য তিনি আবেদন করেছেন। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা হেয় করার উদ্দেশ্যে ২০২৩ সালের একটি ছাত্রলীগ কমিটিতে তার সদস্য পদ রয়েছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আসলে ওই কমিটিতে 'বন্ধন মিয়া' নামে এক ছাত্রের নাম রয়েছে, কিন্তু তার ভাতিজার নাম রাকিব হাসান বন্ধন। নামের আংশিক মিল থাকায় তাকে ছাত্রলীগ বানিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় তার ভাতিজা মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন এবং পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছিলেন। এই বিষয়ের প্রমাণ হিসেবে কিছু ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করা হয়েছে। এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান আব্দুল খালেক।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী রাকিব হাসান বন্ধন, পাগলা কানাই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইমান মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক গনজের আলী খাঁ এবং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে কমিটির ব্যাপারে সদর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি অনু মুঠোফোনে বলেন, "আমরা ২০২৩ সালে একটি আহ্বায়ক কমিটি দিয়েছিলাম। সেই কমিটিতে বন্ধন মিয়া নামের এক ছেলের নাম রয়েছে। সেই বন্ধন আর রাকিব হাসান বন্ধন এক ছেলে নয়। রাকিব হাসান বন্ধনের সাথে আমাদের সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই।"