ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানায় ওসির কক্ষে প্রবেশ নিয়ে বিএনপি নেতা ও পুলিশের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার পর থানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার রাত আটটার দিকে এই মামলাটি করা হয়।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি হিসেবে মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী ওরফে টুটুলকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান আজ রাত পৌনে ৯টার দিকে মুক্তকণ্ঠকে জানান, "মামলার কোনো আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাঁদের গ্রেপ্তারে গতকাল রোববার থেকেই পুলিশ চেষ্টা করছে।"
পুলিশ ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে আরিফ রব্বানী থানায় এসে ওসির কক্ষে ঢুকতে চান। এ সময় দায়িত্বরত কনস্টেবল মো. বকুল মিয়া জানান, ওসি ও অন্যান্য কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে আছেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হলেও ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে ওসি ও অন্য কর্মকর্তারা কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তখন ওসির সঙ্গেও তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে যুবদল কর্মী সুমন, আদিলসহ কয়েকজন তাকে বুঝিয়ে থানার বাইরে নিয়ে যান।
এরপর রাত ১০টার দিকে লাঠি ও দেশি অস্ত্র নিয়ে কিছু লোক থানার প্রধান ফটকে ভাঙচুর চালান। থানার পাশের ট্রাফিক বক্সেও ভাঙচুর চালানো হয়।