ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালে রেখে তার স্বামী পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়ে তাকে হত্যা করে লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার চণ্ডীদাসদী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত তামান্না আক্তার মৌ (২২) চণ্ডীদাসদী এলাকার শাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী এবং পাশ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার রামেশ্বর এলাকার আতিয়ার রহমানের কন্যা।

নিহতের পরিবারের দাবি, মৃত্যুর পর তামান্নার মরদেহ উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মরদেহ রেখেই স্বামী শাখাওয়াত হোসেন পালিয়ে যান।

নিহতের বাবা আতিয়ার রহমান অভিযোগ করে বলেন, "আমার মেয়েকে তার স্বামী নির্যাতনের পর হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।"

এদিকে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ জানান, "খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।"