দেশে হাম এবং এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যানুসারে, মৃতদের মধ্যে চারজনের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল এবং একজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫২ জনে এবং হাম শনাক্ত হওয়ার পর মৃত্যু হয়েছে ১০১ জনের। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৫৩ জনে পৌঁছেছে।
আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। সর্বশেষ যে পাঁচজন মারা গেছেন, তাদের মধ্যে তিনজন ঢাকার এবং দুজন সিলেটের বাসিন্দা।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল আটটা থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল আটটা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৯৪১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। একই সময়ে ৭৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ নতুন করে উপসর্গ ও শনাক্ত মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ২০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৬৬ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এবং ২০ হাজার ৪৭৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৬ জন রোগী। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছেড়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত এই পরিসংখ্যানে রোগীদের বয়সভিত্তিক কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে রোগতত্ত্ববিদদের মতে, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, যদিও শিশুরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়। প্রাদুর্ভাবের সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে যত মৃত্যু ঘটে, সেগুলোকে হামে মৃত্যু হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।