তৃতীয় দিন পাকিস্তান যেভাবে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, বোলিংয়েও তেমনই কিছু ঘটতে চলেছে কি না—এমন শঙ্কা জেগে উঠেছিল ইংল্যান্ড দলে। সকালে প্রথম ওভারেই বড় ধাক্কা দিয়েছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। ১২৯ রান তাড়া করতে নামা ইংল্যান্ড আব্বাসের প্রথম ওভারেই হারিয়ে ফেলে দুই উইকেট। স্বাগতিকদের মাথায় ঘুরপাক খাওয়া তখন অস্বাভাবিক নয়।

তবে শেষ পর্যন্ত তেমন কিছু ঘটতে দেননি জো রুট ও জর্ডান কক্স। তৃতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১২৮ রানের জুটি গড়ে ইংল্যান্ডকে পৌঁছে দিয়েছেন লক্ষ্যে। তাতে এজবাস্টনে ইংল্যান্ড জিতল ৮ উইকেটে, সেই সঙ্গে ৩–০ ব্যবধানে সিরিজও।

হেডিংলিতে ইনিংস ব্যবধানে আর লর্ডসে ১৯৪ রানে জেতা ইংল্যান্ড এই টেস্টেও সহজ জয়ের পথেই ছিল দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত। তবে তৃতীয় দিনে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। সিরিজের আগের পাঁচ ইনিংসে একবারও দুই শ পেরোতে না পারা দলটি তৃতীয় দিনে শেষ ৮ উইকেটে তুলে ফেলে ৩৯৭ রান। ইনিংস হারের শঙ্কা উড়িয়ে ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যও দাঁড় করায় ১৩০ রানের।

আজ সকালে সেই রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারের প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন বেন ডাকেট। ওভারের শেষ বলে এলবিডব্লু হন এমিলিও গে। ২ রানে ২ উইকেট তুলে পাকিস্তান তখন উজ্জীবিত, জাগিয়ে তোলে নাটকীয় জয়ের সম্ভাবনাও।

কিন্তু কক্সকে নিয়ে সেই সম্ভাবনা মিলিয়ে দিতে সময় নেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক রুট। পাকিস্তান অবশ্য রুটকেও একবার কাঁপিয়ে দিয়েছিল। মোহাম্মদ আলীর বলে বোল্ড হয়েছিলেন রুট। তবে পরক্ষণেই জানা যায় ওভারস্টেপিংয়ে ‘নো’। ইংল্যান্ডের রান তখন ৩৬, রুটের ২৩।

শেষ পর্যন্ত ৬৯ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থেকেছেন রুট, কক্স মাঠ ছাড়েন নামের সঙ্গে ৭৬ বলে ৫৯ নিয়ে।