আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কর্মসূচি পিআইএসএ (PISA)-র সাম্প্রতিক ফলাফলে গণিত, বিজ্ঞান ও পাঠদক্ষতার ক্ষেত্রে এশীয় দেশগুলো সারাবিশ্বে উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (OECD) পরিচালিত এই বহু-দেশীয় মূল্যায়নে সিঙ্গাপুর শীর্ষস্থানে রয়েছে। এরপরই রয়েছে চীন, জাপান ও তাইওয়ানের অবস্থান।

বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের একই মানদণ্ডে মূল্যায়নের কারণে পিআইএসএকে আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তুলনামূলক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই পরীক্ষায় ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনে অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগের সক্ষমতা যাচাই করা হয়। মুখস্থনির্ভর জ্ঞানের চেয়ে এতে বাস্তব পরিস্থিতিতে সমস্যা সমাধানের দক্ষতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাধারণত প্রতি তিন বছর পরপর ৮০টির বেশি দেশ ও অর্থনীতিতে এই মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে, এই দক্ষতা মূল্যায়নে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে কম্বোডিয়া, উজবেকিস্তান, ফিলিপাইন, ডোমিনিকান রিপাবলিক, মরক্কো ও জর্ডান। মোট স্কোরের হিসাবে সবচেয়ে নিচে রয়েছে কম্বোডিয়া। দেশটির স্কোর ১ হাজার ১২। এরপর উজবেকিস্তান ১ হাজার ৫৫, ফিলিপাইন ১ হাজার ৫৮, ডোমিনিকান রিপাবলিক ১ হাজার ৫০, মরক্কো ১ হাজার ৬৯ এবং জর্ডান ১ হাজার ৭৮ স্কোর করেছে।

এরপর ফিলিস্তিনের মোট স্কোর ১ হাজার ৮৪। আলবেনিয়ার স্কোর ১ হাজার ১০২, ইন্দোনেশিয়ার ১ হাজার ১০৮ এবং উত্তর মেসিডোনিয়ার ১ হাজার ১২৮। পিআইএসএ-র ফলাফল ব্যবহার করে একটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ ও আধুনিক অর্থনীতির জন্য কতটা প্রস্তুত করছে, তা তুলনা করা হয়। ফলে বিভিন্ন দেশের মোট স্কোর তাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষতার একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে।

পূর্ণাঙ্গ তালিকসহ বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন ওয়েবসাইটে।