লা লিগায় টানা তিন জয়ের পর প্রথম হার মানল রিয়াল মাদ্রিদ। হোসে মরিনহোর দল শুক্রবার রাতে সেভিয়ার লা কার্তুহায় রিয়াল বেতিসের কাছে ১–০ গোলে হেরে গেছে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল, কিন্তু কিলিয়ান এমবাপ্পে তা কাজে লাগাতে পারেননি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে এগিয়ে ছিল রিয়াল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এমবাপ্পে ও জুড বেলিংহ্যামরা একাধিক সুযোগ তৈরি করেন। তবে বেতিসের গোলরক্ষক আলভারো ভালেসকে পরাস্ত করতে পারেননি তাঁরা। প্রথমার্ধে পোস্টে বল মেরেছিলেন ভিনিসিয়ুস; এমবাপ্পেও বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি গিয়েছিলেন। সুযোগগুলো কাজে না লাগায় বিরতির আগে ম্যাচ গোলশূন্যই থাকে।

দ্বিতীয়ার্ধেও রিয়ালের আক্রমণ অব্যাহত থাকে। কিন্তু ৮০তম মিনিটে উল্টো এগিয়ে যায় বেতিস। থিবো কোর্তোয়ার দুর্দান্ত সেভের পর ফিরতি বলে গোল করেন বদলি হিসেবে নামা আইরিশ ফরোয়ার্ড ট্রয় প্যারট।

পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে রিয়াল। বদলি কার্লোস এস্পি দুর্দান্ত এক বাইসাইকেল কিকে বল জালে পাঠান। তবে বিল্ডআপে অফসাইড থাকায় ভিএআর পরীক্ষার পর গোলটি বাতিল হয়।

নাটক তখনও শেষ হয়নি। যোগ করা সময়ে বক্সের ভেতরে ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করেন বেতিসের নেলসন দিওসা। রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। ম্যাচ বাঁচানোর সুযোগ আসে এমবাপ্পের সামনে, কিন্তু ফরাসি তারকার নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন ভালেস। রিয়ালের খেলোয়াড়রা অভিযোগ তোলেন, বেতিসের একজন খেলোয়াড় আগেভাগে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন; তাই পেনাল্টি আবার নেওয়া উচিত। রেফারি তা মেনে নেননি।

শেষ পর্যন্ত ওই পেনাল্টি মিসই রিয়ালের মৌসুমের প্রথম হার নিশ্চিত করে। এর আগে লিগের প্রথম তিন ম্যাচেই জয় পেয়েছিল মরিনহোর দল। বেতিসের মাঠে এসে থামল সেই শতভাগ জয়ের যাত্রা।