নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় এক কওমি মাদ্রাসার ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ছাত্রের বয়স ১৭ বছর। গতকাল বুধবার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ছাত্রটির মায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম (২৮) মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা এবং তিনি ফতুল্লার ওই কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে আসছিলেন।

গতকাল বিকেলে এই ঘটনার প্রতিবাদে মাদ্রাসার সামনে ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ করেন। এসময় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে। পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করা হলে ফতুল্লা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিক্ষককে হেফাজতে নেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "এজাহারে মাদ্রাসার ছাত্রটিকে এর আগেও যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট রাতে তাকে মাদ্রাসার শৌচাগারে আটকে রেখে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এরপর ওই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকেরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। সে তার মাকে যৌন নির্যাতনের কথা জানায়।"

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুর রহমান জানান, আগামী শনিবার ভুক্তভোগী ছাত্রকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার জানান, তাকে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।