এশিয়ান গেমস ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় পদক জয়ের লক্ষ্যে এবার জাতীয় দলের প্রায় সকল সেরা খেলোয়াড় নিয়ে জাপানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের তারকাবহুল স্কোয়াড ঘোষণার পর প্রতিযোগিতার গুরুত্ব বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুরুতে নির্বাচক কমিটি জাতীয় দলের কিছু সদস্য এবং জাতীয় দলের কাছাকাছি থাকা ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে একটি দল গড়ার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে প্রতিপক্ষের শক্তিশালী দল দেখে স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে পিছিয়ে না থাকতে সম্ভাব্য সেরা রেকর্ডযুক্ত দল পাঠানোর পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বিসিবির নির্বাচক নাদিফ চৌধুরীর বরাতে জানানো হয়, প্রথমে জাতীয় দল ও জাতীয় দলের কাছাকাছি থাকা খেলোয়াড়দের নিয়ে মোটামুটি ভালো একটি দল গড়ার পরিকল্পনা ছিল বিসিবির। কিন্তু ভারতের দল দেখার পর যতটা সম্ভব সেরা দল পাঠানোর চেষ্টা করবে বাংলাদেশ। চোটগ্রস্ত মোস্তাফিজুর রহমানকেও দলে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি। তবে বাঁহাতি এই পেসারের অন্তর্ভুক্তি নির্ভর করবে তার শারীরিক অবস্থার ওপর। বর্তমানে বাংলাদেশের চূড়ান্ত দল এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
এশিয়ান গেমসের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ভারত। শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দলটিতে বুমরাহ ছাড়াও রয়েছেন অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষান, তিলক ভার্মা, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, আর্শদীপ সিং ও বৈভব সূর্যবংশীর মতো ক্রিকেটাররা। ভারতের পাশাপাশি পরিচিত ক্রিকেটারদের নিয়ে দল সাজিয়েছে পাকিস্তানও। তাদের স্কোয়াডে আছেন সাহিবজাদা ফারহান ও আবরার আহমেদের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ফলে জাপানে সোনা জয়ের লড়াই যে বেশ কঠিন হবে, সেটি পরিষ্কার।
আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের সুবাদে এবার সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর গ্রুপ ‘বি’র সেরা দলের মুখোমুখি হবে তারা। ওই গ্রুপে রয়েছে হংকং, মালয়েশিয়া ও ওমান। এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে বাংলাদেশের সাফল্যের ইতিহাসও রয়েছে। ২০১০ সালে চীনের গুয়াংজুতে স্বর্ণপদক জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর ২০১৪ সালের ইনচন ও ২০২২ সালের হাংজু আসরে ব্রোঞ্জ জেতে লাল-সবুজের দল।