ডারউইনে ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে নেমে বাংলাদেশ স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে হারিয়ে দেয়। ওই হারের পর অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
তবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়েছে প্যাট কামিন্সের দল। ম্যাকাইয়ে দুই দিনের মধ্যেই বাংলাদেশকে হারিয়েছে ইনিংস ও ৫১ রানের ব্যবধানে। দুই ইনিংসেই এক শর নিচে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। দুই দিনেই টেস্ট শেষ হয়ে যাওয়াও তাদের জন্য প্রথমবার। এমন দাপট দেখানো জয়ে কি প্রথম টেস্টে হারের প্রতিশোধ নিল অস্ট্রেলিয়া—ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অধিনায়ক কামিন্স বলেছেন, ‘এটা আসলে আত্মসম্মানের ব্যাপার। একটা ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর পরেরটা জেতার জন্য মরিয়া হতে হয়। এতে চেষ্টা বাড়ানো যায় কি না, তা আমি নিশ্চিত নই। তবে আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোটা খুব দরকার ছিল। আমরা তা করতে পেরে আনন্দিত।’
ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশের মতো অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংও তেমন সুফল পায়নি। একমাত্র ইনিংসে ২১০ রানে অলআউট হয়েছে তারা। দলের ব্যাটিং নিয়ে আলোচনাও উঠেছে—উইকেটের দায় আছে কি না, বোলাররা বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন কি না—এমন ধারণা অনেকের। তবে কামিন্স এই ধরনের বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। দুই দিনে টেস্ট শেষ হয়ে যাবে—এমন কিছু তাঁর চিন্তাতেই ছিল না বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘সবকিছু যেন চোখের পলকে ঘটে গেল। পিচ বেশ ভালোই ছিল। দেখে মনে হয়নি যে এটা পাঁচ সেশনের মধ্যে ৩০ উইকেট পড়ে যাওয়ার মতো।’
দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম একমাত্র ইনিংসে ৭ উইকেট পেয়েছেন। বোলারদের কৃতিত্ব তো আছেই, দুই দিনে টেস্ট হওয়ার পেছনে কামিন্স ব্যাটসম্যানদের দিকেও দায় ধরেছেন। তিনি বলেন, ‘দুর্দান্ত বোলিং যেমন ছিল, তেমনই মাঝে মাঝে গড়পড়তার চেয়েও বাজে ব্যাটিং দেখা গেছে। যার (ব্যাটিং ভালো করতে না পারাদের) মধ্যে আমি নিজেও আছি। সম্ভবত এসব কারণেই ম্যাচটা দ্রুত শেষ হয়ে গেল।’