বান্দরবান পৌরসভার রাজারমাঠ সংলগ্ন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে একটি রেস্তোরাঁ থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা ও নাশকতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের কাছে তথ্য ছিল যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কিছু সদস্য একটি দোকানের ভেতরে একত্রিত হয়ে দলীয় কর্মসূচি ও নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে একত্রিত হওয়া ব্যক্তিরা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ড পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা করছিলেন। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারকে বিব্রত করা, জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি, সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট এবং সরকার উৎখাতের মতো ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা।
অভিযান চলাকালীন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা কয়েকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসিন আরাফাত, বান্দরবান উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সঞ্জয় দাশ, বান্দরবান সদর পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য শান্ত বড়ুয়া এবং একই সংগঠনের সাবেক সদস্য সাগর বড়ুয়া। তাদের সবার বাড়ি বান্দরবান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম পাড়া এলাকায়।
এই ঘটনায় আটক চারজন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ পারভেজ বলেন, "নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের একত্রিত হয়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।"