চাঁদপুরের ভোলদিঘি কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে হামলা ও অশালীন ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ উঠেছে। দাখিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এই ঘটনার সূত্রপাত বলে জানা গেছে।
গত সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে লাইভ করে এই অভিযোগ জানান অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি দাবি করেন, নোয়াগাঁও, দেবকরা ও নিজমেহার গ্রামের কয়েকজন শিক্ষার্থী তার বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। এসময় তাকে এবং তার মাকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এই ঘটনায় তিনি পাঁচ শিক্ষার্থীকে দায়ী করেছেন।
অধ্যক্ষের ফেসবুক লাইভটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশের নজরে আসে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশি তদন্তে দেখা যায়, অধ্যক্ষ যে পাঁচ শিক্ষার্থীকে দায়ী করেছেন, তাদের প্রত্যেকেই দাখিল পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। এছাড়া এই ঘটনায় অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
ঘটনার বিষয়ে আরও জানতে অধ্যক্ষের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "ঘটনার জন্য যে পাঁচ শিক্ষার্থীকে দায়ী করা হয়েছে, তাদের সবাই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছে। এ ঘটনায় অধ্যক্ষ থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি।"
অন্যদিকে, শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "আমি বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত।"