যুক্তরাষ্ট্রের ‘উইগুর জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধ আইন’ (ইউএফএলপিএ) এর আওতায় ৪০টিরও বেশি চীনা প্রতিষ্ঠানকে এন্টিটি লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

শনিবার (১ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, "মার্কিন এই পদক্ষেপের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, "যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আইনকে ব্যবহার করে তথাকথিত মানবাধিকার ও জোরপূর্বক শ্রমের অজুহাতে চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, যা আদর্শিক ও অর্থনৈতিক জবরদস্তির শামিল।"

মার্কিন এই পদক্ষেপের প্রভাব সম্পর্কে ওই মুখপাত্র বলেন, "এসব পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট চীনা প্রতিষ্ঠানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শিল্প ও সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতাও ব্যাহত হচ্ছে।"

বেইজিংয়ের এই মুখপাত্রের দাবি, বর্তমানে সিনচিয়াংয়ে সামাজিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং জনগণের শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রা বিরাজ করছে।

পরিশেষে, চীন যুক্তরাষ্ট্রকে সিনচিয়াং নিয়ে ‘আক্রমণ ও অপপ্রচার’ বন্ধ করার, তথাকথিত জোরপূর্বক শ্রম ইস্যুর অপব্যবহার না করার এবং চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নির্বিচার দমনমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।