সাইবার বুলিং বা সাইবার হয়রানি প্রতিরোধ এবং এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে নতুন একটি আইনের খসড়া প্রকাশ করেছে দ্য সাইবারস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না (সিএসি)। জনমতের জন্য গত বুধবার (২৯ জুলাই) খসড়াটি প্রকাশ করা হয়।

কর্তৃপক্ষের মতে, সাইবার হয়রানির নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিনের জনউদ্বেগ এবং এই সমস্যা সমাধানে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবির প্রেক্ষিতেই নতুন এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকাশিত খসড়া অনুযায়ী, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাইবার হয়রানির সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করা এবং ব্যবহারকারীদের সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে সতর্ক করা বাধ্যতামূলক হবে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সাইবার হয়রানি থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি কিংবা প্রতিবন্ধী কেউ এই ধরনের হয়রানির শিকার হলে তা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যদি নিশ্চিত সাইবার হয়রানির ঘটনা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তবে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবেন। আদালতের আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধের প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হবে।

এছাড়া, সাইবার হয়রানির ফলে জাতীয় স্বার্থ বা জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে প্রসিকিউটর অথবা সাইবারস্পেস প্রশাসনের নির্ধারিত সংস্থাগুলো জনস্বার্থে মামলা (পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন) করার ক্ষমতা রাখবে।