অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনের পর এবার ছাপা সংস্করণে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে সংবাদমাধ্যম ‘মুক্তকণ্ঠ’। বুধবার (২৯) ঢাকা জেলা প্রশাসন ‘দৈনিক মুক্তকণ্ঠ’ নামে নতুন এই বাংলা পত্রিকা প্রকাশের অনুমোদন প্রদান করেছে। প্রখ্যাত সাংবাদিক পলাশ মাহমুদ এই দৈনিকের প্রকাশক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন, যিনি বর্তমানে মুক্তকণ্ঠের অনলাইন সংস্করণেও একই দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনলাইন মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে মুক্তকণ্ঠ। ‘ইওর গ্লোবাল ভয়েস’ স্লোগান নিয়ে তিন মাস পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পর ১১ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করা হয়। রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মুক্তকণ্ঠের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনী আয়োজনটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল, যেখানে দেড় লাখেরও বেশি পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষী ফেসবুকে শুভেচ্ছা কার্ডের মাধ্যমে তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করেন। একই সময়ে দেশব্যাপী স্থানীয় বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণে একযোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা একটি গণমাধ্যমের শুরুর প্রচারকৌশল হিসেবে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
মুক্তকণ্ঠ লিমিটেডের মালিকানাধীন এই অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি পরীক্ষামূলক সময়েই পাঠকদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে অভিনব, ব্যতিক্রমী এবং গভীর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ভিডিও কনটেন্টের মাধ্যমে এটি সর্বমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের অনলাইন গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে পাঠকপ্রিয়তায় মুক্তকণ্ঠ বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
সাফল্যের এই ধারা বজায় রাখতে এবং পাঠকদের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে ছাপা পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রকাশক ও সম্পাদক পলাশ মাহমুদ। ছাপা পত্রিকার জগতেও নতুনত্ব আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমরা প্রথমে অনলাইনভিত্তিক মাধ্যমগুলোতে কার্যক্রম শুরু করি। এখন ছাপা পত্রিকার অনুমোদন পাওয়া গেছে। পত্রিকাটি কবে বাজারে আসবে, সে সিদ্ধান্ত দু-এক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হবে।”
এই বিষয়ে মুক্তকণ্ঠের হেড অব নিউজ শাকিল ফারুক বলেন, “নতুন ধারার সাংবাদিকতা এবং নতুন সময়ের পাঠকের চাহিদা পূরণের লক্ষ্য নিয়েই আমাদের পথচলা। অনলাইনে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়ে এবার ছাপা পত্রিকাতেও পাঠকদের নতুন অভিজ্ঞতার স্বাদ দিতে চাই আমরা। মুক্তকণ্ঠের অভিজ্ঞ ও তারণ্যনির্ভর কর্মী বাহিনী আমাদের ভরসা এবং পাঠক ও দর্শকের ভালোবাসা আমাদের অনুপ্রেরণা।”