বর্ষার ঝুম বৃষ্টি আর মেঘলা আকাশ অনেকের কাছেই প্রিয় হলেও, এই সময়ে দেশের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই দেখা দেয় দেয়ালের স্যাঁতসেঁতে ভাব। নোনা ধরা, আস্তর খসে পড়া, রং ঝরে যাওয়া কিংবা ক্ষতিকর ছত্রাক বা মোল্ডের উপদ্রব ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করার পাশাপাশি স্থায়িত্ব ও মেঝের শক্তি কমিয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে। সাধারণত অনেকে সাধারণ ডেকোরেটিভ পেইন্ট বা রং দিয়ে এই সমস্যা ঢাকার চেষ্টা করেন, তবে এটি একটি ভুল ধারণা। সাধারণ রং কেবল সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য তৈরি, এটি পানি বা আর্দ্রতা প্রতিরোধ করতে পারে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বৃদ্ধি এবং টানা বৃষ্টির ফলে বাইরের দেয়াল দিয়ে পানি ভেতরে ঢোকার সুযোগ পায়। এর ফলে দেয়ালের প্লাস্টারের ভেতরের ক্ষার ও লবণ পানির সংস্পর্শে এসে নোনা তৈরি করে। দেয়ালের ভেতরের আর্দ্রতা যখন বের হতে চায়, তখন সাধারণ রঙের প্রলেপ ঠেলে ফোসকা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে রং খসে পড়ে। এছাড়া ভেজা জায়গায় ক্ষতিকারক ছত্রাক জন্মানোর ফলে ঘরে দুর্গন্ধ ছড়ায়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই ছত্রাক অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমার মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

দেয়ালের এই ক্ষতিকর আর্দ্রতা ও ড্যাম্পের কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান দিতে বার্জার পেইন্ট নিয়ে এসেছে বিশেষায়িত ওয়াটারপ্রুফিং ব্র্যান্ড ‘মি. এক্সপার্ট ড্যাম্পগার্ড’। ২০২২ সালে বাজারে আসার পর থেকেই বাসা বা বাড়ির দেয়াল সুরক্ষায় এই ব্র্যান্ডটি পরিচিতি পেয়েছে। কোম্পানিটির দাবি অনুযায়ী, এটি সাজসজ্জার রং নয়; বরং সাধারণ রঙের তুলনায় ১০ গুণ শক্তিশালী পানি রোধে কার্যকর। বিশেষ করে প্লাস্টারের ওপরের অংশের আর্দ্রতা ও নোনা প্রতিরোধের জন্য এটি বিশেষভাবে তৈরি।

মি. এক্সপার্ট ড্যাম্পগার্ড ব্যবহারের সুবিধার বিষয়ে বার্জারের এক কর্মকর্তা জানান, "স্থাপনায় কার্যকর সুরক্ষা দেয়, ফলে পানি থেকে রক্ষা, ছাতা ধরা ও প্লাস্টার ক্ষয় হওয়া প্রতিরোধ করে। এর প্রয়োগও সাধারণ আবাসিক ঘরে খুব সহজে ব্যবহারযোগ্য।"

স্থাপনার ভেতরে ও বাইরে দেয়ালের প্রয়োজনভেদে এই ব্র্যান্ডের ছয়টি বিশেষ পণ্যের তালিকায় ৩ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত পারফরম্যান্স ওয়ারেন্টি রয়েছে। প্রথাগত রঙের ওপর নির্ভর না করে বিশেষায়িত ওয়াটারপ্রুফিং সমাধান বেছে নিলে ঘরের সৌন্দর্য ও স্থায়িত্ব—দুটিই সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।