বিশ্বকাপ ফাইনালের 종료 বাঁশি বাজার পরপরই প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাতে নিকোলাস ওতামেন্দির দিকে এগিয়ে গিয়েছিলেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি। তবে ফুটবলীয় সৌজন্যের পরিবর্তে তাঁকে শুনতে হয় তীব্র ভর্ৎসনা।

টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রদ্রি কাছে যেতেই ক্ষোভের সাথে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার বলেন, ‘তুমি পুরো সপ্তাহ কেঁদেছ। তুমি আর লাপোর্তে—দুজনই। এটা ঠিক হয়নি। তোমরা রেফারিদের নিয়ে অভিযোগ করে কেঁদেছ, বন্ধু।’ ওতামেন্দির এমন মন্তব্যে বিস্মিত হয়ে রদ্রি পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কিসের জন্য? কী নিয়ে?’

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবাল দুজনকে শান্ত করার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। কিছুক্ষণ পর রদ্রি ও ওতামেন্দি আবারও তর্কে জড়িয়ে পড়েন। রদ্রি যখন মাঠের ভেতরে ও বাইরে পারস্পরিক সম্মানের কথা উল্লেখ করেন, তখন আরও চড়া সুরে জবাব দেন ওতামেন্দি, ‘আমার সম্মান আছে। কিন্তু তোমাদের এভাবে কথা বলা উচিত হয়নি, বুঝেছ?’ রদ্রি তখনো জানতে চান, ‘আমি কী বলেছি?’

তদন্তে জানা যায়, ওতামেন্দির এই ক্ষোভের মূল কারণ ছিল ফাইনালের আগে স্পেন দলের রেফারিং সংক্রান্ত কিছু মন্তব্য। ম্যাচের আগে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এমেরিক লাপোর্তে স্প্যানিশ দৈনিক মার্কাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনা ম্যাচের রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

লাপোর্তে বলেছিলেন, ‘সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোয় আমরা রেফারিং নিয়ে এমন কিছু ঘটনা দেখেছি, যা আমাদের সত্যিই বিস্মিত করেছে। কিছু ঘটনায় কোনো শাস্তিই দেওয়া হয়নি, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে। তারা প্রতিপক্ষের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। ফুটবলে, বিশেষ করে এত বড় প্রতিযোগিতায়, এসব কখনোই অনুমোদন করা উচিত নয়। কারণ, এতে প্রতিপক্ষের মনোযোগ নষ্ট হয় এবং হতাশা তৈরি হয়।’

ওতামেন্দির আচরণ থেকে স্পষ্ট যে, স্পেন দলের ওই মন্তব্য আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ফাইনালের পর রদ্রিকে সামনে পেয়েই সেই জমে থাকা ক্ষোভ উগরে দেন অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডার। যদিও পুরো সময় রদ্রি বারবার জানতে চেয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ঠিক কোন মন্তব্য করেছিলেন।