দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার কারণে চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চল ও সিলেটের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হলেও বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনের নির্দেশনায় সোমবার বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে সাতকানিয়া উপজেলার দুর্গম এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মধ্যে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন।

একই দিন বিমানবাহিনী স্টেশন শমশেরনগর থেকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বন্যাকবলিত পরিবারগুলোর মাঝে রান্না করা ও শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ঔষধ সরবরাহ করা হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সোমবার রাতে ফেসবুকে জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম চলবে।

উদ্ধার অভিযানের জন্য বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ও উদ্ধারকারী দল সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেল সক্রিয় করে সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইএসপিআরের বার্তায় বলা হয়, দেশের জনগণের জানমাল রক্ষা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনী অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে।