‘ইটস আ লাভ স্টোরি, বেবি, জাস্ট সে ইয়েস’ থেকে ‘ইটস মি, হাই, আম দ্য প্রবলেম’—এই দুইয়ের মধ্যে আমরা একটা প্রজন্ম বড় হয়ে গেছি! আমাদের সময়ের গানের–দুনিয়ার সবচেয়ে বড় তারাদের একজন টেইলর সুইফটের গানের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই যে তাঁর জীবনের যত উপলব্ধি, ট্রমা, প্রেম, বিচ্ছেদ, বন্ধুত্ব, বেড়ে ওঠা, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া—এসবই তিনি গান বানিয়ে উদ্‌যাপন করেছেন।

টেইলর সুইফট যখন ‘লুক হোয়াট ইউ মেড মি ডু’, ‘ব্লাঙ্ক স্পেস’, ‘ক্রুয়েল সামার’, ‘কার্ডিগান’, ‘লাভার’ দিয়ে ভাঙা হৃদয়কে মঞ্চে নেচে-গেয়ে মাতাচ্ছেন; অনেক তরুণ তখন সেটার সঙ্গে নিজেদের বিচ্ছেদযন্ত্রণা মিলিয়ে জীবনে ‘মুভ অন’ করেছে।

টেইলর যেভাবে জীবনের নানা বাঁক বদলে এগিয়েছেন, তাঁর মিউজিকও কান্ট্রি থেকে পপ, পরে অল্টারনেটিভ ও ফোক ঘরানায় মোড় নিয়েছে। ফলে টেইলরের কাছে যেটা ছিল মিউজিক ক্যারিয়ার, ‘সুইফটি’দের কাছে তা ছিল জীবনকে সহজভাবে নিয়ে খানিকটা ভালো থাকার থেরাপি। এই গল্পনির্ভর গীতরচনাই সম্ভবত টেইলর সুইফটকে গানের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র বানিয়ে দিয়েছে।

.জীবনে বড় হওয়ার মন্ত্র হলো—ধরে রাখো আর ছেড়ে দাও.

সন্দেহের অবকাশ নেই যে টেইলর সুইফট তাঁর ‘নিউলি ম্যারিড’ জীবনসঙ্গী ট্রাভিস কেলসির চেয়ে অনেক বড় তারকা। ইনস্টাগ্রামে টেইলর সুইফটের ভক্তসংখ্যা যেখানে ২৭ কোটি ৩০ লাখ, ট্রাভিসের সেখানে ৭৭ লাখ! তা–ও এটা টেইলর সুইফটের সঙ্গে প্রেম জনসম্মুখে আসার পরের ঘটনা। আগে ছিল ২৫ লাখের মতো।

টেইলরের সঙ্গে প্রেম প্রকাশ্যে আনার কয়েক দিনের মধ্যে ট্রাভিসের ভক্তসংখ্যা ৩৮ থেকে ৪০ লাখ বেড়ে যায়! ‘ফোর্বস’–এর সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসির সম্পদের মধ্যে বিশাল পার্থক্য।

.

টেইলর সুইফটের মোট সম্পদের পরিমাণ অন্তত ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন (১৮০ কোটি) মার্কিন ডলার। কিছু প্রতিষ্ঠানের হিসাবে এটি ২০০ কোটির বেশি। বাংলাদেশি টাকায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরলে) এর পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা।

টেইলরের এই বিপুল সম্পদ প্রধানত এসেছে তাঁর গানের রয়্যালটি, দ্য ইরাস ট্যুর, প্রকাশনা, পণ্য বিক্রি, রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ থেকে।

.টেইলর সুইফটের বাগদানের আংটির দাম শুনলে চোখ কপালে উঠবে, ফুটবলার প্রেমিকের সঙ্গে কীভাবে পরিচয়?.

অন্যদিকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আর্থিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাভিস কেলসির মোট সম্পদ প্রায় ১৮–২০ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ২ হাজার ২০০–২ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা)।

ট্রাভিসের এই সম্পদ এসেছে ন্যাশনাল ফুটবল লিগে খেলার চুক্তি, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট, ভাই জ্যাসন কেলসির সঙ্গে পরিচালিত ‘নিউ হাইটস’ পডকাস্ট ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক বিনিয়োগ থেকে।

অর্থাৎ টেইলর সুইফটের সম্পদ ট্রাভিস কেলসির তুলনায় ২০ গুণ বেশি বলে বিভিন্ন আর্থিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: ফোর্বস

.টেইলর সুইফটের জীবনসঙ্গী ট্রাভিস কেলসি সম্পর্কে কতটা জানেন