সিলেটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুই তরুণ। তাঁরা মামাতো ও ফুফাতো ভাই। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে নগরের তালতলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন সুনামগঞ্জের শাল্লার রহমতপুর নোয়াগাঁও গ্রামের দীপ্ত দাস (১৮) ও ছাতক মংলারগাঁও গ্রামের ইমন দাস (২০)। ইমনের মামাতো ভাই হলেন নিহত দীপ্ত। তাঁরা পরিবারের সঙ্গে নগরের তালতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। দীপ্ত সিলেটের ইউনিভার্সাল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র এবং ইমন দাস সিলেট মদন মোহন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপ্ত ও ইমন মোটরসাইকেলে করে গতকাল রাতে শেখঘাট থেকে তালতলা মোড়ের দিকে আসছিলেন। পথে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামনে অজ্ঞাতপরিচয় গাড়ির ধাক্কায় তাঁরা সড়কে ছিটকে পড়েন। আওয়াজ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান এবং দুজনকে সড়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত দীপ্ত দাসের বাবা গৌরাঙ্গ দাস আজ রোববার সকালে মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ইমন ও তাঁর ছেলে বন্ধুর মতো চলাফেরা করতেন। শেষ পর্যন্ত দুজন একসঙ্গেই মারা গেলেন। তাঁদের সৎকার নিয়ে এখন ব্যস্ত আছেন।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাইনুল জাকির বলেন, দুজনের মরদেহ এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।