গুগলের ক্রোম ব্রাউজার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। বেশিরভাগই এই ব্রাউজার ব্যবহার করেন, কিন্তু গুগল অ্যাকাউন্টে লগইন করুন বা না করুন, আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট, সার্চ কোয়েরি—সব তথ্যই গুগলের সংরক্ষণে যায়। সৌভাগ্যবশত, ক্রোমের সেটিংস পরিবর্তন করে এই তথ্য সংগ্রহ সীমিত করা সম্ভব।
ক্রোম নিয়মিত ব্যবহারকারীদের ফিচার ব্যবহার এবং ওয়েবপেজ লোডের তথ্য সংগ্রহ করে। এগুলো বন্ধ করতে ব্রাউজারের উপরের ডানদিকে তিন ডট মেনু থেকে সেটিংসে যান। তারপর ‘ইউ অ্যান্ড গুগল’ অপশন থেকে ‘সিঙ্ক অ্যান্ড গুগল সার্ভিসেস’ নির্বাচন করে ‘হেল্প ইমপ্রুভ ক্রোমস ফিচারস অ্যান্ড পারফরম্যান্স’ অপশনটি বন্ধ করুন।
গুগলের আয়ের বড় অংশ লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন থেকে আসে, যার জন্য তারা ব্যবহারকারীদের আগ্রহ ও ব্রাউজিং তথ্য বিশ্লেষণ করে। বিজ্ঞাপন-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ কমাতে সেটিংস থেকে ‘প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি’ অপশনে ক্লিক করুন। এরপর ‘অ্যাডস প্রাইভেসি’তে গিয়ে ‘অ্যাড টপিকস’, ‘সাইট-সাজেস্টেড অ্যাডস’ এবং ‘অ্যাড মেজারমেন্ট’ অপশনগুলো বন্ধ করুন।
ক্রোম আপনার ভিজিট করা ওয়েবসাইটগুলোর তথ্যও সংরক্ষণ করে। ইন্টারনেট নজরদারি কমাতে ‘ইউ অ্যান্ড গুগল’ অপশন থেকে ‘সিঙ্ক অ্যান্ড গুগল সার্ভিসেস’ নির্বাচন করুন। এরপর ‘মেক সার্চেস অ্যান্ড ব্রাউজিং বেটার’ এবং ‘এনহ্যান্সড স্পেল চেক’ অপশন দুটি বন্ধ রাখুন।
ব্রাউজার ইতিহাস, কুকিজ ও ক্যাশ ফাইল স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে, যা তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি বাড়ায়। এগুলো মুছে ফেলতে সেটিংস থেকে ‘প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি’তে যান। তারপর ‘ডিলিট ব্রাউজিং ডেটা’তে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেছে ডেটা মুছুন।
থার্ড পার্টি কুকিজ এবং লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ওয়েবসাইটগুলো আপনার অনলাইন কার্যক্রম অনুসরণ করে, যা গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এগুলো বন্ধ করতে সেটিংস থেকে ‘প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি’তে ক্লিক করুন। ‘থার্ড পার্টি কুকিজ’তে গিয়ে ‘ব্লক থার্ড-পার্টি কুকিজ’ চালু করুন এবং ‘সেন্ড আ ডু নট ট্র্যাক রিকোয়েস্ট উইথ ইয়োর ব্রাউজিং ট্রাফিক’ অপশনটিও সক্রিয় করুন।






