যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের অস্ত্র সরবরাহের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই অস্ত্রগুলো মাঝপথে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং যথাযথ হাতে পৌঁছায়নি। যারা অস্ত্রগুলো নিজেদের কাছে রেখেছে, তাদের ‘চড়া মূল্য দিতে হবে’। সোমবার এসব কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য মূলত কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের লক্ষ্য করে বলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ আগের দিনই তিনি অস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের দায়ী করেছিলেন। তবে সোমবারের বক্তব্যে তিনি কারও নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি।
হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, এই সমরাস্ত্রগুলো মূলত সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের জন্য পাঠানো হয়েছিল, যাতে তাঁরা ইরানি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারেন।
গত জানুয়ারিতে ইরানে গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ‘সাহায্য আসছে’। তখন তিনি বিক্ষোভকারীদের রাস্তায় নেমে সরকারি প্রতিষ্ঠান দখলের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু সরকারি দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর পর ট্রাম্প পিছিয়ে যান। এর কয়েক সপ্তাহ পর ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেন তিনি।






