বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল আগামী ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এটি ফিফা টায়ার-১ আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ হবে এবং অনুষ্ঠিত হবে সান মারিনোতে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আজ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে।

বাফুফের মতে, এর আগে বাংলাদেশ অনেক দেশের সঙ্গে ম্যাচ করলেও ইউরোপীয় কোনো জাতীয় দলের বিপক্ষে এটিই প্রথম অফিশিয়াল খেলা। এছাড়া, বাংলাদেশের ফুটবলাররা প্রথমবার ইউরোপের মাটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচে নামবেন।

তবে বাফুফের এই দাবি সত্ত্বেও ২০০০ সালে লন্ডনে ভারতের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। সেই সময় দলের কোচ ছিলেন হাসানুজ্জামান বাবলু। তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, “ভারতের সঙ্গে সেই ম্যাচটি হয়েছিল নিউক্যাসলের মাঠে। বাইচুং ভুটিয়া তখন ভারতের অধিনায়ক এবং ইংল্যান্ডের একটি টিমে খেলছিল। দুই দেশের জাতীয় দল অংশ নিয়েছিল ম্যাচটায়। ভারতের ফুটবল ফেডারেশনের এক কর্মকর্তা এর উদ্যোক্তা ছিলেন। ম্যাচটা আমরা ১-০ গোলে হেরেছি এবং বাংলাদেশের গোলকিপার ছিল আমিনুল।”

বাফুফে জানিয়েছে, বাংলাদেশ-সান মারিনো ম্যাচটি শুধু মাঠের লড়াই নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ফুটবলীয় উন্নয়নের একটি বড় সুযোগ। সান মারিনোর জন্যও এটি নতুন অভিজ্ঞতা। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে তারা প্রথমবার কোনো এশীয় দেশের মুখোমুখি হবে।

এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফুটবলাররা মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করবে, যা ভবিষ্যতে এশিয়ান কাপ বা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে কাজে লাগবে বলে আশা বাফুফের। ম্যাচের ভেন্যু এবং সময় এখনো চূড়ান্ত না হলেও শিগগিরই বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সান মারিনো বাংলাদেশের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। সর্বশেষ র‍্যাঙ্কিংয়ে সান মারিনো ২১১তম এবং বাংলাদেশ ১৮১তম। বাফুফে এতদিন শক্তিশালী দলের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচের কথা বলে আসছিল, কিন্তু এবার এমন এক দলের সঙ্গে খেলছে যারা আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের চেয়ে ৩০ ধাপ পিছিয়ে।

সান মারিনো ইউরোপের একটি ছোট দেশ, যা সম্পূর্ণভাবে ইতালির ভেতরে অবস্থিত এবং চারদিক থেকে ইতালি দ্বারা ঘেরা। এর আয়তন প্রায় ৬১ বর্গকিলোমিটার এবং এটি বিশ্বের পঞ্চম ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র।