যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের একটি পোষা ঘুঘু পাখি তার প্রজাতির প্রত্যাশিত আয়ুর দ্বিগুণেরও বেশি সময় বেঁচে আছে। এর নাম ‘সুগার’ এবং বয়স ৪৪ বছর ২ মাসেরও বেশি। সাধারণত পোষা অবস্থায় ঘুঘু পাখি ২০ বছরের মতো বাঁচে, কিন্তু সুগার সেই ধারণা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সুগারকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী জীবিত পোষা ঘুঘু হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে রেকর্ডটি ছিল জার্মানির ঘুঘু পাখি ‘মেথুসেলাহ’র দখলে। সুগার মেথুসেলাহর চেয়ে ১৫ বছরেরও বেশি সময় বেঁচে আছে।
সুগারের মালিক ৭৭ বছর বয়সী ডিওয়েইন অরেন্ডার। গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁদের মধ্যে অসাধারণ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এই বিশেষ বন্ধনই কারণ হয়তো তারা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সময় একসঙ্গে কাটাতে পারছেন। সুগারের মা–বাবাও একসময় অরেন্ডারের পোষা ছিল, তাই জীবনের শুরু থেকেই অরেন্ডারের এই ঘরই সুগারের পৃথিবী।
সুগার সম্পর্কে অরেন্ডার বলেন, “তাকে খুব আনন্দিত ও পরিতৃপ্ত মনে হয়। সে আমাকে খুব ভালোবাসে। আমি আর সে যেন সেরা বন্ধু।” একসময় সুগারের সঙ্গী ছিল ‘রোজ’। কিন্তু ১৯৯৬ সালে সঙ্গীটি মারা যায়। তারপর থেকে সুগার একাই অরেন্ডারের জীবনের অংশ।
সুগারের দৈনন্দিন জীবনও দারুণ মজার। সে অরেন্ডারের সঙ্গে সোফায় বসে টিভি দেখে, তাই তার ডাকনাম ‘ল্যাপ ডগ’। গান বাজলেই পা ঠুকে তাল মেলে—যেন সত্যিকারের সংগীতপ্রেমী! অরেন্ডার নিজেও সংগীত জগতের লোক। ৫০ বছর ধরে তিনি সংগীত ব্যবসায় আছেন। অরেন্ডারের ভাষ্য, সুগার সংগীত ভালোবাসে। এমনকি অরেন্ডারের দুটি মিউজিক ভিডিওতেও তার উপস্থিতি রয়েছে।






