কমিউনিকেশনস সেক্টরে কাজ করা অনেকেরই একটি সাধারণ প্রশ্ন—ডেভেলপমেন্ট সেক্টর ও প্রাইভেট সেক্টরে কাজ করতে কি আলাদা দক্ষতা প্রয়োজন?
এর আগে ডেভেলপমেন্ট সেক্টর ও প্রাইভেট সেক্টরে কমিউনিকেশনসের মূল পার্থক্য সংক্ষেপে জানাই। তবে একটা বিষয় উল্লেখ করা উচিত, আমার প্রাইভেট সেক্টরে কমিউনিকেশনসে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই।
শক্তি ফাউন্ডেশন নেবে ২০০ ট্রেইনি অফিসার, বেতন ২৭০০০, আবেদন ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে কমিউনিকেশনসের লক্ষ্য শুধু তথ্য পৌঁছানো নয়, বরং বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে সমাজ ও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। অন্যদিকে প্রাইভেট সেক্টরে এর প্রধান উদ্দেশ্য ব্র্যান্ডকে শক্তিশালী করা, বিক্রি বাড়ানো এবং মুনাফা বৃদ্ধি করা।
টার্গেট অডিয়েন্সেও পার্থক্য রয়েছে। ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে কাজ করতে হয় কমিউনিটি, সরকার, দাতা সংস্থা ও মিডিয়ার সঙ্গে। আর প্রাইভেট সেক্টরে ফোকাস থাকে কাস্টমার, ইনভেস্টর ও নির্দিষ্ট বাজারে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে চাকরি, পদ ১০৩।
এবার মূল প্রশ্নে আসা যাক। দক্ষতা কি আলাদা?
আসলে না। ভালো লেখা, গল্প বলার ক্ষমতা, শ্রোতা বুঝে ক্রিয়েটিভ বার্তা/কনটেন্ট তৈরি, কৌশলগত চিন্তা, ডিজিটাল ও মিডিয়া ব্যবস্থাপনা—এই দক্ষতাগুলো দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রয়োজন।
তবে পার্থক্য আসে প্রয়োগে।
ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে যোগাযোগ মানুষ, সমাজ ও পরিবেশকেন্দ্রিক, এখানে সংবেদনশীলতা, নিরপেক্ষতা ও প্রমাণভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাইভেট সেক্টরে যোগাযোগ বেশি বাজার ও ব্র্যান্ডকেন্দ্রিক, লক্ষ্য থাকে গ্রাহকের মন জয় করা, বিক্রয় বাড়ানো ও প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা।
কাজের ধরনেও ভিন্নতা আছে। ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগে, কারণ এখানে বহু স্টেকহোল্ডারের সমন্বয় জরুরি। প্রাইভেট সেক্টরে সিদ্ধান্ত তুলনামূলক দ্রুত হয়, বাজারের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে।
শেষ কথা, দক্ষতা একই, কিন্তু মানসিকতা ও প্রয়োগ ভিন্ন। একজন দক্ষ কমিউনিকেশনস পেশাজীবী চাইলে দুই ক্ষেত্রেই কাজ করতে পারেন, শুধু সঠিকভাবে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা থাকলেই চলবে।
মো. আব্দুল কাইয়ুম, ইউএনডিপি বাংলাদেশের হেড অব কমিউনিকেশনস






