অস্ট্রেলিয়ার সরকার পড়াশোনা-পরবর্তী কাজের (পোস্টস্টাডি) জন্য ওয়ার্ক ভিসার আবেদন ফি দ্বিগুণ করেছে। এতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এতে ক্রমবর্ধমান খরচের কারণে দেশটি বিদেশি গ্র্যাজুয়েটদের কাছে কম আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। শিক্ষাবিষয়ক সংস্থা আইসিইএফ মনিটরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দ্বিগুণ হলো টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট ভিসার ফি

১ মার্চ থেকে টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট ভিসার (সাবক্লাস ৪৮৫) আবেদন ফি ৪ হাজার ৬০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার করা হয়েছে। আগে এ ফি ছিল ২ হাজার ৩০০ ডলার। এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করার পর অস্ট্রেলিয়ায় ১৮ মাস থেকে ৩ বছর পর্যন্ত বসবাস ও কাজ করতে পারেন। অনেকের জন্য এটি স্থায়ী বসবাসের পথেও সহায়ক।

সাম্প্রতিক এই ফি বৃদ্ধির ফলে অস্ট্রেলিয়ার পোস্টস্টাডি ওয়ার্ক ভিসা এখন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল। একই ধরনের ভিসার তুলনায় এর খরচ কানাডা, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের তুলনায় অনেক বেশি।

.শিক্ষার্থীদের জন্য মাধ্যমিকে তৃতীয় ভাষা ও ফ্রি ওয়াই-ফাই চালুর পরিকল্পনাও সরকারের.

নির্ভরশীলদের ফিও বৃদ্ধি

ভিসার সঙ্গে থাকা নির্ভরশীল ব্যক্তিদের জন্যও খরচ বেড়েছে। সঙ্গী বা ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নির্ভরশীলদের ফি ২ হাজার ৩০০ ডলার করা হয়েছে। ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্যও ফি বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিক্ষার্থী ভিসা ও জীবনযাপনের খরচ বেড়েছে

এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন খাতে খরচ বাড়ানোর প্রবণতা দেখা গেছে। স্টুডেন্ট ভিসার (সাবক্লাস ৫০০) আবেদন ফি ২ হাজার ডলার, যা বড় শিক্ষাগন্তব্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। জীবনযাপনের প্রমাণ হিসেবে বছরে ২৯ হাজার ৭১০ ডলার দেখানোর বাধ্যবাধকতাও চালু করা হয়েছে। বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়ামও বাড়তে পারে।

.পাকিস্তানে দুই সপ্তাহ স্কুল বন্ধ, বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে, তেলের দামের প্রভাবে এসব সিদ্ধান্ত.

শিক্ষাবিদদের সতর্কতা

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধারাবাহিক খরচ বৃদ্ধি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা ও কাজের পরিকল্পনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

.অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষা: সংকটের মুখে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা