‘শিশুর মতো হামাগুড়ি দিয়ে’ পাহাড়ের ঢালের দিকে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, পর্বত থেকে ধসে পড়া বরফ, পাথর ও মাটি নদীর পানির সঙ্গে মিশে প্রবল ঢল তৈরি করে, যা শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ বন্যারূপে হাজির হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের খবর
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, পর্বত থেকে ধসে পড়া বরফ, পাথর ও মাটি নদীর পানির সঙ্গে মিশে প্রবল ঢল তৈরি করে, যা শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ বন্যারূপে হাজির হয়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বইমেলা এবার ৫০ বছরে পা দিচ্ছে।
নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ৩৮৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আরও প্রায় ৯০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
নিউজিল্যান্ডের আর্থ সায়েন্সেসের ‘মাউন্টেনস টু সি’ কর্মসূচির প্রধান বিজ্ঞানী সাইমন কক্স বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উঁচু পর্বতের পাথর ও বরফের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়ছে।
চীনের সতর্কতায় নেপাল-তিব্বত সীমান্তে সৃষ্ট কৃত্রিম হ্রদটি যেকোনো সময় ভেঙে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
হিমবাহ ধস ও ভূমিধসে নেপাল–তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৩৫৯ ছাড়িয়েছে। প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ, যাদের মধ্যে বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় সেনা-পুলিশ সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
খালিদ শেখ মোহাম্মদকে ২০০৩ সালের মার্চে পাকিস্তান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও বন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থযাত্রা
এ দুর্যোগে অন্তত ১৩০ থেকে ১৩৩ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন বলে দেশটির সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিমালয়ের জটিল ভূপ্রকৃতির কারণে এমন আকস্মিক দুর্যোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।
তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে গতকাল বুধবারের আকস্মিক বন্যার পেছনে হিমবাহধসকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন স্যাটেলাইট প্রতিষ্ঠান ‘প্ল্যানেট ল্যাবস’-এর ছবি বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।
‘এ বন্যা আমাদের সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। আমি ও আমার ছেলে একটি বাড়ির ছাদে উঠে প্রাণে বেঁচেছি—কীভাবে বেঁচে গেলাম, নিজেরাও বলতে পারি না।’