কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ‘আস্থা রেখে’ আন্দোলন প্রত্যাহার করল ককরোচ জনতা
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের খবর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি।
যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে থাকা ভারতীয় শিক্ষার্থী অভিজিৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সিজেপি গঠনের ঘোষণা দেন।
বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটল। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে নেতারা। শনিবার (২৫ জুলাই) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সিজেপির উচ্চপর্যায়
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের কথা ঘোষণার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে প্রবেশ করেছেন।
এ আন্দোলন বয়স্ক প্রজন্মকে ভারতীয় তরুণদের সম্পর্কে নিজেদের দীর্ঘদিনের ধারণা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে
দেশের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে হিন্দিতে লেখা একটি চিঠি এক্সে পোস্ট করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এ ঘটনার নেপথ্য নায়ক ভারতীয় তরুণদের অভিনন্দন জানিয়েছেন আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় আহ্বায়ক এবং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শনিবার (২৫ জুলাই
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির কঠোর অবস্থানের পর তিনি পদত্যাগ করেছেন; আজ বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং বিরোধী দলগুলোর ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে মন্দির–মসজিদ বিতর্ক শুরু হয়েছে।
পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কোনো দেশ বা আইনসভার উপদেশ মালয়েশিয়া গ্রহণ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট মেম্বার ওয়ান আহমদ ফায়সাল বিন ওয়ান আহমদ কামাল। ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং তাদের নাগরিকদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কারণে মালয়েশিয়ার সঙ্গে মার্কিন সম্পর্ক পর্যালোচনার আহ্বান জা
সরকার তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে বলে মনে হচ্ছে না। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে অচলাবস্থা আরও জোরালো হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।