জিবের ৮ বিপদ: ইমাম গাজ্জালির সতর্কতা
আমাদের একটি কথা যেমন কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারে বা শান্তি আনতে পারে, তেমনি একটি কটু কথা ধ্বংস করে দিতে পারে বহু বছরের পুরোনো সম্পর্ক।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
আমাদের একটি কথা যেমন কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারে বা শান্তি আনতে পারে, তেমনি একটি কটু কথা ধ্বংস করে দিতে পারে বহু বছরের পুরোনো সম্পর্ক।
ককেশাস অঞ্চলের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে মস্কোর বর্তমান যে সামরিক সমীকরণ, যার প্রতিচ্ছবি আমরা ইউক্রেন যুদ্ধে চেচেন যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ থেকে দেখতে পাই, তার বীজ আছে ইতিহাসে।
চরম মানসিক ও শারীরিক বিপর্যয়ের মুহূর্তে আল্লাহ নবীজিকে আকাশভ্রমণে আপ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত নেন। জমিনে প্রত্যাখ্যাত হয়ে আসমানের পক্ষ থেকে এ এক বিশেষ সংবর্ধনা।
আল্লাহ-তাআলা নুহ (আ.)-এর নৌযানে যাঁদের আরোহন করিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন জুরহুম, তাঁর মাধ্যমে বিশুদ্ধ আরবি টিকে থাকে এবং ভাগ্য জুরহুমকে টেনে আনে মক্কায়।
আল্লাহকে চেনার এই আদিম আগ্রহ থেকেই মানুষ যুগ যুগ ধরে প্রশ্ন করে আসছে, আল্লাহ কোথায় আছেন? তিনি কি আমাদের খুব কাছে, নাকি অনেক দূরে?
একটি সাত-আট বছরের শিশু যখন প্রশ্ন করে, “মা, আল্লাহ কোথায়? আমি কেন তাঁকে দেখতে পাই না?”—তখন অনেক অভিভাবকই কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন।
ইসলাম কেবল পার্থিব চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়নি; বরং আধ্যাত্মিক আরোগ্যের অনন্য পদ্ধতি শিখিয়েছে, যাকে বলা হয় ‘রুক্ইয়া’। এটি কোনো জাদুকরি প্রক্রিয়া নয়; বরং ইবাদত।
আমরা অনেকেই কোরআন পড়ি, কিন্তু প্রশ্ন হলো—ঠিক কীভাবে পড়ছি? আমাদের পাঠ কি কেবল অক্ষরের উচ্চারণে সীমাবদ্ধ, নাকি তা আমাদের হৃদয়ের গভীরে রেখাপাত করছে?
ইবাদত কেবল দৃশ্যমান আমলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এমন বহু আমল রয়েছে, যা মানুষের চোখে পড়ে না, অথচ আল্লাহ তাআলার কাছে সেগুলোর মূল্য অপরিসীম।
বর্তমান বিশ্বে একদিকে যখন লাখো মানুষ খাদ্যের অভাবে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে, অন্যদিকে তখন উদ্বৃত্ত খাদ্যদ্রব্য বাজারে দাম ধরে রাখা অজুহাতে নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে।
কেউ কেউ দাবি করেন যে তাঁরা সশরীরে নবীজিকে দেখেছেন বা তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু শরিয়তের আলোকে এই দাবির সত্যতা কতটুকু, তা পর্যালোচনার দাবি রাখে।
দোয়া কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি বান্দার পক্ষ থেকে তার মহান স্রষ্টার প্রতি গভীর কাকুতি-মিনতি ও আত্মনিবেদনের অনন্য মাধ্যম।