হাফসা বিনতে সিরিন: জ্ঞান ও তাকওয়ার আলোকবর্তিকা
বসরা নগরীতে তিনি নারী–পুরুষ উভয়কেই শিক্ষাদান করতেন। প্রখ্যাত বিচারক ইয়াস বিন মুয়াবিয়া বলেন, “আমি এমন কাউকে দেখিনি যাকে হাফসার ওপর প্রধান্য দেওয়া যায়।”
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
বসরা নগরীতে তিনি নারী–পুরুষ উভয়কেই শিক্ষাদান করতেন। প্রখ্যাত বিচারক ইয়াস বিন মুয়াবিয়া বলেন, “আমি এমন কাউকে দেখিনি যাকে হাফসার ওপর প্রধান্য দেওয়া যায়।”
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজান মাসে মসজিদে নববিতে মুসুল্লিদের ইবাদতের অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে প্রতি বছরের মতো এবারও এই বিশাল স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
যেসব নফল জামাতে পড়া যাবে, তাতে জামাতের সওয়াব পাওয়ার আশা করা যায়। যেসব নফল জামাতে বৈধ নয়, তাতে সওয়াবের পরিবর্তে গুনাহ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
মাত্র ৩৬ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবন, যার মধ্যে ইসলামের ছায়াতলে ছিলেন মাত্র ছয়টি বছর। যার বিদায়বেলায় মহান আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল।
এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।
নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার অর্থ এই নয় যে সব ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হবে, বরং অর্থ হলো লাগামহীন ইচ্ছাকে আল্লাহর হুকুমের অধীনে নিয়ে আসা।
মহানবীর দাওয়াতি কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ ছিল ‘উপমা’। তাঁর উপমা থেকে স্পষ্ট হয় প্রাণ ও প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কত গভীর ছিল।
হালিমা যখন শিশু নবীজি (সা.)–কে শেষবারের মতো তাঁর মায়ের নিকট নিয়ে আসছিলেন তখন মক্কার উঁচু ভূমিতে পৌঁছার পর তাঁকে হারিয়ে ফেলেন।
তায়েফ দুর্গ অবরোধের সময় যখন তিনি দেখলেন যে দীর্ঘ অবরোধ চালালে মুসলিম মদিনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, তখন তিনি সাহসিকতার সঙ্গে অবরোধ তুলে নেন।
এই বিশেষ উপহারটি হলো সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬)। এই দুই আয়াত কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আরশ থেকে আসা নুর।
রমজানের এই আধ্যাত্মিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হতে শাবান মাসের শেষ দিনগুলোতে আমাদের করণীয় সম্পর্কে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এখানে আলোচনা করা হলো।
ইবাদত মানে কেবল জায়নামাজে দাঁড়িয়ে থাকা নয়; বরং সঠিক নিয়তের মাধ্যমে একজন মুমিন তার জীবনের অতি সাধারণ কাজগুলোকেও ইবাদতে রূপান্তর করতে পারেন।