পরকালে শয়তান যেভাবে প্রতারণার কথা স্বীকার করবে
মানুষের চিরশত্রু ইবলিশ শয়তান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা কেয়ামতের দিবসে পথভ্রষ্ট অনুসারী এবং শয়তানের মধ্যকার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
মানুষের চিরশত্রু ইবলিশ শয়তান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা কেয়ামতের দিবসে পথভ্রষ্ট অনুসারী এবং শয়তানের মধ্যকার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন।
মুসলিম সমাজের একটি বড় সংকট হলো, বিপুল মাত্রায় লোকেরা তথ্যকে জ্ঞান মনে করছে, আর বিতর্ককে মনে করছে চিন্তা। যুক্তির হাত ধরে ওহি থেকে পালাচ্ছে।
পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে ত্যাগের মানসিকতা গড়ে তোলা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েও কোরবানির চেতনা জীবন্ত রাখা সম্ভব।
সাফল্যের সব জাগতিক সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার পর মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন জাগে—‘এরপর কী?’ শুধু বিত্ত-বৈভব বা সামাজিক প্রতিপত্তি মানুষকে প্রকৃত সুখ দিতে পারে না।
সম্পর্কে বিশ্বাস ভঙ্গ হলে জীবন থমকে যায়। প্রশ্ন হলো, এই ক্ষত কি নিরাময় সম্ভব? ইসলামি মূল্যবোধ বলে হারানো বিশ্বাস ফিরে পাওয়ার পথ বন্ধুর হলেও অসম্ভব নয়।
সত্য সবসময়ই যৌক্তিক এবং অসত্য সবসময়ই স্ববিরোধী। তিনি চাইছিলেন তাঁর পিতা যেন অন্ধ অনুকরণ ত্যাগ করে স্বাধীনভাবে নিজের বিবেককে ব্যবহার করেন।
ইসলামের বিধান হলো, অর্থের বাহ্যিক বৈধতা নয়, উৎসই মূল বিষয়। ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী এটি কয়েকটি হারাম বিষয়ের সমষ্টি: অন্যায় উপার্জন, প্রতারণা, ঘুষ ও তথ্য গোপন।
চোখ যদি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, তবে তা বহু পাপের পথ খুলে দিতে পারে। তাই ইসলাম দৃষ্টির হেফাজতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
ওজনে কম দেওয়া বা মানুষকে ঠকানো ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ। যারা ওজনে কম দেয়, তাদের জন্য ‘ওয়াইল’ বা ধ্বংসের দুঃসংবাদ দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থতার কারণে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাঁকে ত্যাগ করে চলে যায়। এমনকি তাঁকে জনবসতি থেকে দূরে এক নির্জন স্থানে ফেলে আসা হয়।
অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।
বৃষ্টি নামলেই অনেক মানুষ বিরক্ত হয়। কেউ যানজটের কথা ভাবে, কেউ কাদা-পানির ঝামেলায় অসন্তুষ্ট হয়। অথচ একজন সচেতন মুমিনের দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত ভিন্ন।