সরকারি বাজেট এবং ইসলামের ‘বায়তুল মাল’ ব্যবস্থা
বায়তুল মাল ব্যবস্থার সৌন্দর্য হলো, এর একটি অংশ সব সময় সমাজের দরিদ্রতম মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় নিবেদিত থাকত। ফলে প্রান্তিক মানুষ কখনো অনাহারে থাকত না।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
বায়তুল মাল ব্যবস্থার সৌন্দর্য হলো, এর একটি অংশ সব সময় সমাজের দরিদ্রতম মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় নিবেদিত থাকত। ফলে প্রান্তিক মানুষ কখনো অনাহারে থাকত না।
তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ অমর কীর্তি হলো ‘তাফসিরে ইবনে কাসির’। এর মূল শক্তি হলো—কোরআনের আয়াত দ্বারা কোরআনের ব্যাখ্যা এবং সহিহ হাদিসের যথাযথ প্রয়োগ।
যারা বাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলে, তারা মূলত সমাজের অসহায় মানুষের পকেট কাটে। ইসলাম মনে করে, এ ধরনের উপার্জন কোনোভাবেই বরকতময় হতে পারে না।
এই সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক পঙ্কিলতার মধ্যেও যাঁরা নিজেদের চরিত্র ও নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন, তাঁদের জন্য রয়েছে পরকালের পরম সুসংবাদ।
প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, এখানকার বিশাল পাহাড় কেটে তৈরি করা চোখধাঁধানো কারুকার্য ও স্থাপত্যশৈলী আধুনিক যুগের মানুষকেও রীতিমতো অবাক করে দেয়।
ফাতিমার আবদারের উত্তরে রাসুল (সা.) বলেছিলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয় বলব না, যা তোমাদের জন্য একজন খাদেম বা সাহায্যকারীর চেয়েও অনেক উত্তম?’
নবাগতের নাম রাখা হয় ‘সালামা’। আর সেই দিন থেকেই আবদুল্লাহ ও হিন্দ দম্পতি আরবের প্রথা অনুযায়ী নতুন কুনিয়াত বা সম্বোধনে পরিচিত হয়ে ওঠেন—‘আবু সালামা’ ও ‘উম্মে সালামা’।
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
তিনি অজ্ঞতার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘তারা যখন সমাধান জানত না, তখন জিজ্ঞেস করে কেন জেনে নিল না? কারণ, অজ্ঞতার প্রতিষেধক হলো প্রশ্ন করা।’
শারীরিক শ্রম ও কষ্টসাধ্য অনেক ইবাদত থেকে ইসলাম প্রতিবন্ধীদের হয় সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে অথবা সহজ বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। জুমা ও জামাতের বাধ্যবাধকতা থেকে প্রতিবন্ধীরা মুক্ত।
তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো, বিশেষত আল-আকিদাতুত তাহাবিয়া বিশ্বের বহু মাদ্রাসা ও উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজও গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য হিসেবে সমাদৃত।
জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।