‘আখেরি চাহার শোম্বা’ পালন করা কি সুন্নত
আখেরি চাহার শোম্বা পালন নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
আখেরি চাহার শোম্বা পালন নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
সে কখনোই মানুষকে সরাসরি গিয়ে বলে না যে ‘তুমি পাপ করো’। বরং সে পাপের কাজকে কল্যাণকর ও সাময়িক প্রয়োজন হিসেবে উপস্থাপন করে মানুষকে ধোঁকা দেয়।
পারিবারিক শিক্ষার আসল কাজ কি সন্তানকে জীবনের সব চড়াই-উতরাই থেকে দূরে সরিয়ে রাখা, নাকি জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তাদের প্রস্তুত করা—এ প্রশ্ন ঘিরেই ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনস্তাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে।
নামাজ আমাদের শেখায় দিনে পাঁচবার নিজের ভেতরের অহংকার ও জাগতিক তাড়াকে একপাশে সরিয়ে রেখে জীবনের আসল উদ্দেশ্যকে নতুন করে স্মরণ করতে।
কোরআনে নবী মুসা ও খিজিরের (আ.) ঐতিহাসিক সাক্ষাতের গল্পটি মানব ইতিহাসের এক পরম শিক্ষণীয় অধ্যায়; যা আমাদের দেখা, জ্ঞানে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা উচিত।
পরিবর্তনের জন্য প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে, এমনটাই জানাচ্ছে পবিত্র কোরআন। আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী, নিজের অবস্থার পরিবর্তন না করলে জাতির পরিবর্তন সম্ভব নয়।
কখনো না বুঝে, কখনো অসচেতনতায়, আবার কখনো মনস্তাত্ত্বিক প্ররোচনায় আমরা এমন কিছু করে ফেলি, যার জন্য পরবর্তী সময় গভীর অনুশোচনা জাগে।
ইসলামি আইনের উদ্দেশ্য প্রতিশোধ গ্রহণ নয়; বরং সমাজকে সুরক্ষিত রাখা এবং অপরাধীকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। যেখানে আল্লাহর হক জড়িত, সেখানে ইনসাফের জন্য কঠোরতা করা হয়েছে।
মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কোনো কথা, অন্যায় দৃষ্টি, কিংবা মনে মনে চর্চা করা সামান্য গিবত। মনে হয়, এসব তো কবিরা গুনাহ নয়, তাহলে ক্ষতি কী?
প্রায়ই দেখা যায়, মসজিদ নির্মাণ, মিনারের সৌন্দর্যবর্ধন কিংবা মসজিদের এয়ার কন্ডিশনার ও দৈনন্দিন পরিচালনা খরচের জন্য জাকাতের ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ বা প্রদান করা হয়।
বিনয় মানুষকে ছোট করে না; বরং আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান ও মানুষের কাছেও প্রিয় করে তোলে। বিনয়ী চরিত্র গঠন করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
ইমাম আবু হানিফার আসল নাম নু’মান ইবনে সাবিত—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ইতিহাসে নানা আলোচনা রয়েছে। তাঁর উপনাম ‘আবু হানিফা’ নিয়েও কুফার ভাষায় লিখনের দোয়াত ‘হানিফা’ বলে উল্লেখ করা হয়।