অর্থনৈতিক বৈষম্য রোধে ইসলামের ৫ পদক্ষেপ
মৌলিক পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরা হলো; যা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে বৈষম্য হ্রাস পাবে, সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং সমাজে শান্তি ফিরে আসবে।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
মৌলিক পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরা হলো; যা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে বৈষম্য হ্রাস পাবে, সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং সমাজে শান্তি ফিরে আসবে।
সামাজিক জীবনে পরনিন্দা, মানহানি, গালাগালি, অপবাদ দেওয়াসহ পাপ থেকে বেঁচে চলা জরুরি। না হলে বিনোদনের উপকরণ ব্যবহার ধর্মীয় বৈধতা হারাবে।
ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?
৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে হোসাইন (রা.) এমন কঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হন, যেখানে দৃশ্যমান বাস্তবতায় বিজয়ের সব পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।
কর্মক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা ও কর্মীর অধিকার নিশ্চিত করা ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল পেশাগত দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি বড় ইবাদত।
অতীতে জমি বা দালান ওয়াক্ফ করে যদি নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে আজকের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায়, যেখানে দৃশ্যমান জমি নেই, সেখানে ওয়াক্ফ কেমন হবে?
বলা যায় একরকম পিড়াপিড়ি করেই তাঁকে এই মহান দায়িত্বে বসানো হয়। পরদিনই তিনি কাপড়ের গাট্টি মাথায় নিয়ে সাধারণ মানুষের মতো বাজারের দিকে রওনা হন। তিনি মূলত কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন।
আব্বাসীয় আমলে বাগদাদে কাগজ তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রকাশনাশিল্প দ্রুত বিস্তার লাভ করে। আজকের প্রকাশকদের পূর্বসূরি ছিল এই ওয়াররাক সম্প্রদায়।
অনেকেই প্রতিদিন নামাজে বা অন্য প্রয়োজনে মসজিদে যাতায়াত করি, কিন্তু এর আদব ও সুন্নাহ পালনে যথেষ্ট সচেতন নই। এই ছোট ছোট সুন্নাহ মসজিদে প্রবেশকে করে তোলে বরকতময়।
পবিত্র কোরআন আমাদের সামনে এমন একজন বাবার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ সমকালীন সব বাবার জন্য অনুকরণীয়। তিনি হলেন নবী ইয়াকুব (আ.)।
আশুরার একটি বিশেষ আমল হলো রোজা পালন করা। রাসুল (সা.) এ আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং এর গুরুত্বপূর্ণ ফজিলতের কথা বর্ণনা করেছেন।
কর্দোবার অভিজাতদের অনুসরণে সাধারণ ধনাঢ্য নাগরিকদের মধ্যেও ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার রাখার রীতি একপ্রকার সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।